ফাইনালে উঠতে বাংলাদেশের প্রয়োজন ২১২ রান

0
137

প্রথমবারের মতো যুব বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলতে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দলকে করতে হবে ২১২ রান। দ্বিতীয় সেমিফাইনালে টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে ২১১ রান সংগ্রহ করেছে নিউজিল্যান্ড। সর্বোচ্চ ৭৫ রান করেন হুইলার গ্রিনাল। বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট পেসার শরীফুল ইসলামের। শামীম হোসেন ও হাসান মুরাদের শিকার ২টি করে উইকেট।

ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই রাইস মারিওকে (১) সাজঘরে ফেরান অফস্পিনার শামীম হোসেন। দলীয় ৩১ রানে ওলি হোয়াইটকে (১৮) উইকেটের পেছনে আকবর আলীর ক্যাচ বানিয়ে সাজঘরে ফেরান স্পিনার রাকিবুল হাসান। ২১তম ওভারে এসে  দ্বিতীয় সাফল্য দেখেন শামীম। ফারগুস লেলম্যানকে (২৪) তুলে নেন তিনি।

দলীয় ৭৪ রানে হাসান মুরাদ সরাসরি বোল্ড করেন কিউই অধিনায়ক জেসে টাসকফকে (১০)।

পঞ্চম উইকটে ৬৭ রানের জুটিতে চাপ কিছুটা কাটিয়ে ওঠে নিউজিল্যান্ড। ৪১তম ওভারে দলীয় ১৪১ রানে নিকোলাস লিন্ডস্টোনকে (৪৪) প্যাভিলিয়নে ফিরিয়ে এ জুটি ভাঙেন শরীফুল ইসলাম। ৭৪ বলে ২ বাউন্ডারিতে ৪৪ রান করেন লিন্ডস্টোন। পরের ওভারেই মুরাদ উপড়ে ফেলেন কুইন সুন্ডির (১) স্টাম্প। ৪৬ ও ৪৮তম ওভারে এসে শরীফুল ইসলাম তুলে নেন ক্রিস্টিয়ান ক্লার্ক (৭) ও জো ফিল্ডকে (১২)।  তবে ৫০তম ওভারে শরীফুল ১৯ রান খরচ করলে দলীয় সংগ্রহ ২০০ ছাড়ায় নিউজিল্যান্ডের।

এবারের যুব বিশ্বকাপে ‘সি’ গ্রুপে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ছিল পাকিস্তান, স্কটল্যান্ড আর জিম্বাবুয়ে। প্রথম ম্যাচেই জিম্বাবুয়েকে ৯ উইকেটে হারায় টাইগার যুবারা। দ্বিতীয় ম্যাচে স্কটল্যান্ডকে গুঁড়িয়ে দেয় মাত্র ৮৯ রানে। গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার লড়াইয়ে পাকিস্তানের বিপক্ষে বৃষ্টিবিঘ্নি ম্যাচে আগে ব্যাটিংয়ে নামে বাংলাদেশ। সেদিন ব্যাটিংটা একদম ভালো হয়নি। ২৫ ওভারে ৯ উইকেটে ১০৬ রান তোলার পর বৃষ্টিতে খেলা পরিত্যক্ত হয়। তবে রানরেটে এগিয়ে থাকায় গ্রুপসেরা হয়ে সুপার লীগ কোয়ার্টার ফাইনালে পা রাখেন আকবর-হৃদয়রা।

অন্যদিকে ‘এ’ গ্রুপে নিউজিল্যান্ডের প্রতিপক্ষ ছিল ভারত, শ্রীলঙ্কা ও জাপান। তিন ম্যাচে এক জয়, এক হার দেখে কিউরা। আরেকটি ম্যাচ পরিত্যক্ত হয়। ৩ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ রানার্সআপ হয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠে কিউইরা।

Print Friendly, PDF & Email